Showing posts with label গল্প. Show all posts
Showing posts with label গল্প. Show all posts

Wednesday, May 27, 2020

গল্পঃ বৃষ্টি কুমার (কাল্পনিক) | লিখা: হুমায়রা নাজনীন অর্পা

ইশ্! বৃষ্টি আসলে আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনা। আমার প্রেম ভালবাসা যেন এই প্রকৃতির বৃষ্টি। বৃষ্টির আগমনী বার্তা টের পেলে আমার মাথা ঠিক থাকেনা। আমি পাগল হয়ে যাই। আমার ঠান্ডা লাগার প্রব্লেম থাকলেও মাতাল হয়ে যাই আমি। আসুক জর আসুক I don't care!!!!!
দাড়াও তোমার কেয়ার করা দেখছি! বলেই শরীফ ছুটল আম্মুর কাছে।
ধুর! এই পাজির হাড্ডিটার জন্য ভেজাও যায়না। ওহ বলতেই ভুলে গেছি। শরীফ আমার ছোট ভাই। ওরফে মায়ের চামচা কিছু একটা হলেই আমার নামে মায়ের কাছে বলে দিবে। ছুড়া বড়ই বদ। আব্বু সব সময় আমার পক্ষেই নেন। আম্মু বেশি বেশিই বকে।

Saturday, February 8, 2020

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমদিন ভাইয়াদের সাথে স্মৃতির পাতা থেকে মনে পড়ে

ভাইয়া মনে আছে সেই দিনের কথা যখন প্রথম আমি জাতীয় স্মৃতিসৌধ দেখতে যাই। আমি তুমি আর তুমি আমরা তিনজন। খুব ভালো লেগেছিল। জানি না আর এভাবে আর একসাথে আমার পাশে তোমাদের দুইজনকে পাব কি না। আগের দিনগুলি কত সুন্দর ছিল।



এই ছবির লাল জামার ছেলেটি আমি কাজী শামিম শাহরিয়ার ইসলাম। মাঝখানে রয়েছেন তনময় ভাইয়া আর বাকি যে একজন ওই পাশে তিনি আমাদের সবার প্রিয় পরাগ ভাইয়া। এই ছবিতে আমিই সবার ছোট। তারা আমাকে অনেক ভালবাসে আর আমি আগে ছোটবেলা অনেক পাগলামি করতাম।

Saturday, October 12, 2019

অনেক দিন পর প্রিয় গ্রামে বেড়াতে যাওয়ার কিছু গল্প, গ্রামের সবুজ রাস্তার আর বাজারে সিঙ্গারা খাওয়া - ধলাইতলা গ্রাম নড়াইল ভ্লগ Dhalaitola Village, Narail Vlog

প্রায় ৪ বছর পর এবার গ্রামের বাড়ি গেলাম। ভালো লাগে আমার ধলাইতলা গ্রাম। আমি যখন গ্রামে যাই অনেক দিন পর মনে হয় অনেক কিছু চেঞ্জ গ্রামের। প্রথমত আমাদের গ্রামের বাড়ি অনেক পুরানো হয়ে গেছে। তারপর আশেপাশে অনেক পরিচিত মানুষ নেই। এছাড়াও রয়েছে অনেক পরিবর্তন। মসজিদ, মাদ্রাসা, নদী, খাল বিল, রাস্তাসহ আরও অনেক। বর্ষার সৌন্দর্য এবার গ্রামের বাড়ি উপভোগ করলাম সবার সাথে। অনেক মিস করি শহরে থেকে প্রিয় গ্রামকে। যাই হোক বলে রাখা ভালো এটা আমার নানা বাড়ি। নানা নানু সেই অনেক বছর আগে মারা গেছেন। শুধু ছোট মামা আর মামি থাকেন আমার এই ছোট্ট গ্রামে। তাদের কাছেই যাওয়া। ছোটবেলা থেকে মামার আদর পেয়ে বড় হয়েছি। আর নানু বেঁচে থাকতে আমাকে অনেক ভালবাসতেন। আমি এই গ্রামেই বড় হয়েছি। এখানের নদীতে গোছল করেছি। এখানের স্কুলে পড়েছি। এখানের মক্তবে আমি প্রথম আরবি শিখি। তাছাড়া আমার লাইফের সব কিছুই বলতে এই গ্রাম। গ্রামের সবার বাড়ি ও সবার নাম মুখস্ত আমার আর মুখ চেনা সবার। অনেক আপন তারা আমার। তাই যেখানেই থাকি গ্রামে আসার জন্য সুযোগ খুজতে থাকি আমি। এবার অনেক বছর পর সুযোগ পেয়ে চলে আসলাম। গ্রামে আসলে আমি সবার আগে পুরো গ্রাম একবার ঘুরে আসি। তারপর আমি ঘরে পা দেই। সব সময়ের অভ্যাস এটা। তাদের না দেখলে আমার ভালো লাগে না আর তারা সব সময় অপেক্ষা করে কবে আমি তাদের কাছে ফিরব। আজকে যে গল্প বলব সেটা হল গ্রামের সৌন্দর্য দেখা আর বাজারে যাওয়া। অনেক সুন্দর এই পরিবেশ। 



Friday, August 16, 2019

গল্পঃ ..... সাদা শাড়ি ..... ১ম পর্ব , লেখিকাঃ জান্নাত শিলা লনি




রিমা-পরশু কিন্তু সবাই সাদা
রঙের শাড়ি পরছি,আর এটাই ফাইনাল। প্রোগ্রাম যেহেতু বিকেল থেকে রাত বারোটা অবধি, সেজন্য সাদা রংটাই ভালো।
আমি- তাহলে আমার কী হবে?আমার যে সাদা রঙের কোন শাড়িই নেই। কখনো পড়াও হয়নি।
সাদিয়া- আরে অর্পা! আমরাএখনো কেউই শাড়ি কিনিনি। সবাই একসাথে, একই রকম শাড়ি কিনবো কালকে।তাই আগে থেকে বলছি। এখন সবাই বল,কখন যাওয়া যায়।

Thursday, June 6, 2019

নাদিয়া আপুর প্রতিশোধ, জনি ভাই বিপদে কাপড়হীন অবস্থায় বাথরুমে

সকালে শাপলা আর ঝড়ের নৌকা ভ্রমণের পর আমরা বাসায় ফিরি ৮টার সময়। এসে আমরা ব্রেকফাস্ট করি। জনি ভাইয়া আর নাদিয়া আপু দুইজনেরই ভালো লেগেছে আমাদের গ্রাম। তবে তাদের একটি সমস্যা। সেটি হল কারেন্ট থাকে না। তাদের মোবাইল আর ল্যাপটপের চার্জ অলরেডি কমে এসেছে। সেটা কোন সমস্যা না। জনি ভাইয়া জেনে বুঝেই একটি সোলার প্যানেল আর ব্যাটারি নিয়ে এসেছে। এতে চার্জ দেওয়া যায়। তারা একটি ব্যাটারি চার্জ দেয় ও অপরটি ব্যবহার করে। এখন আমরা আম পেড়ে খাব। গ্রামের একটি ছেলে খুব ভালো গাছে উঠতে পারে। তাকে ভাড়া করলাম। সে আম পাড়তে থাকে। আমি, আপু আর ভাইয়া গাছের নিচে দাড়িয়ে দেখতে থাকি। অনেক গুলা আমগাছ। ২টি গাছ থেকে প্রায় ভালো মানের আম পাওয়া গেল। সারা দিন খেলেও শেষ করা যাবে না।

Thursday, May 16, 2019

ইতনা গ্রামের শ্মশানে সন্ধ্যায় ভুতের গল্প

আসসালামুয়ালাইকুম। গতদিনের গল্পে ব্যাপক সারা পাওয়ার পর আজ নিয়ে হাজির হলাম আরেকটি গল্প। গল্পটি হল ইতনা গ্রামের শ্মশানের গল্প। ছোটবেলা অনেক সুন্দর জীবন ছিল। এখন বড় হয়েছি আর মনে পড়ে সময়গুলি। তাই মাঝে মাঝে ভালো লাগে গল্প লিখতে। তো সেইবার আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়তাম। আমার গ্রামের এক মামার বিয়েতে বাড়ি গিয়েছিলাম। তখনের ঘটনা। আর গ্রীষ্মকাল আমার প্রিয় সময়। বিয়ের দিনও সেই সময় ঠিক করা হয়। মার্চ মাসে যাই। তখন  ক্লাসও এক সপ্তাহ অফ ছিল। যাই হোক সুযোগ পেলাম। আর না হলেও যেতাম। আম্মু, খালামনি সহ আরও অনেক আত্মীয় বাড়িতে এসেছিল। সুতরাং মজা হওয়া স্বাভাবিক। সেই একই ভাবে খুলনা থেকে লঞ্চে করে যেয়ে মধুমতি নদীর ঘাটে ধলইতলা গ্রামে নামি। পরের দিন শুরু হল মিশন। মিশন মামার বিয়ে এবার দিতেই হবে।

Wednesday, May 15, 2019

গরমের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি মামুন গাজির বাগানে আম চুরির গল্প

তখন আমি ক্লাস ৬য়ে পড়ি। খুলনা আমাদের বাসা। সেইবার গরমের ছুটিতে গ্রামের বাসায় যাওয়ার প্লান করি। ফারুক মামাকে মোবাইল করে আসতে বলি। মামা পরের দিন আমাকে নিতে আসে। তারপর আমি মা আর মামা তিনজন মিলে যাওয়ার প্লান করি। নদী মাতৃক দেশ আমাদের বাংলাদেশ। তাই লঞ্চে করে যাওয়ার জন্য মামা আসার দিন একটি টিকেট বুকিং করে এসেছিলেন। খুলনার রূপসা নদীর লঞ্চঘাটে আমরা যথারীতি সকালে খুব ভোরে পৌছাই। ২ তলা লঞ্চ। ভালোই বড়। আমার লঞ্চে যেতে ভালো লাগে তাই মামা আমার জন্য নদী পথে যাওয়ার সুযোগ করে দিল। মামা আসলেই শুধু লঞ্চে করে যাই। যদিও অন্য পথে যাওয়া যায় গ্রামের বাড়ি। বাসে একবার গিয়েছিলাম। লঞ্চে গ্রামের বাড়ি যেতে আমার প্রায় দিনের অর্ধেক সময় লাগে। যেমন সকালে রওনা দিলে দুপুরে যাই। খুব ভোরে যাত্রা শুরু করলে অবশ্য বেলা উঠতে উঠতে পৌঁছে যাই। যাই হোক আমরা যাত্রা শুরু করলাম। বাড়ি পৌছালাম দুপুরে।

Tuesday, May 14, 2019

বদনা - বাঙালির প্রতিদিন লাগে ও নানাবিধ ব্যবহার

আমাদের সবার প্রিয় একটি বস্তু হল বদনা। আমরা বদনা প্রতিদিন ব্যবহার করি। সকাল বিকাল রাতে এমনকি ঘুম থেকে হথাৎ জেগে উঠেও ব্যবহার করে থাকি। বদনা খুব সুন্দর একটি পানির পাত্র। এখানে অনেক পানি জমা করে রাখা যায় আর একটি পাইপের মত আছে। সেখান দিয়ে অনেক সুন্দর ভাবে পানি বের হয়। আমি এই পাইপকে তুলনা করব লাচ্চি বা ফালুদা খাওয়ার সময় ব্যবহৃত স্ট্র বা পাইপের সাথে। ব্দনার এই পাইপ অনেক বড় মোটা আর বেশি পানি এক সাথে বের হয়। ফলে আমাদের কাজ করতে অনেক আরাম লাগে। বদনার দ্বারা আমরা কম বেশি সবাই উপকৃত হয়েছি।